ফাইল ছবি
বিশ্বব্যাপী টেক্সটাইল প্রিন্টিং ইঙ্কস বাজার দ্রুত সম্প্রসারণের পথে রয়েছে। ২০২৬ সালে বাজারটির আকার প্রায় ১ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার ধরা হলেও ২০৩৫ সালের মধ্যে তা বেড়ে ৪ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে, যেখানে গড় বার্ষিক প্রবৃদ্ধি (সিএজিআর) প্রায় ১২ দশমিক ৮ শতাংশ।
শিল্প বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রায় ৬২ শতাংশ টেক্সটাইল প্রিন্টিংয়ে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে, যেখানে প্রচলিত স্ক্রিন ও রোটারি প্রিন্টিংয়ের অংশ ৩৮ শতাংশ। পরিবেশগত মানদণ্ডের কারণে প্রায় ৭১ শতাংশ কারখানা এখন পানি-ভিত্তিক কালি ব্যবহার করছে।
বাজারের প্রধান চালিকা শক্তি
ডিজিটাল টেক্সটাইল প্রিন্টিংয়ের চাহিদা বৃদ্ধি এই খাতের সবচেয়ে বড় চালিকা শক্তি। দ্রুত উৎপাদন, কম পানি ব্যবহার (৬০% পর্যন্ত হ্রাস) এবং স্বল্প সময়ে সরবরাহের সুবিধা থাকায় ফাস্ট ফ্যাশন শিল্পে এর ব্যবহার বাড়ছে। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব কালি ব্যবহারে জোর দিচ্ছে প্রায় ৫৮ শতাংশ কারখানা।
চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা
তবে কাঁচামালের উচ্চমূল্য (৪৭%), পরিবেশগত নিয়ম মেনে চলার ব্যয় (৪১%) এবং ছোট উৎপাদকদের প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা বাজার সম্প্রসারণে বাধা হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
নতুন প্রবণতা
পিগমেন্ট-ভিত্তিক কালি এখন মোট ব্যবহারের প্রায় ৪৪ শতাংশ দখল করেছে। পাশাপাশি টেকসই ও কম দূষণকারী কালি, এআই-নির্ভর কালার ক্যালিব্রেশন এবং স্বল্প ব্যাচ উৎপাদন প্রযুক্তি দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে।
আঞ্চলিক চিত্র
বাজারে শীর্ষে রয়েছে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল। তাদের অংশীদারিত্ব প্রায় ৫২ শতাংশ। চীন, ভারত ও বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর বড় পরিসরের টেক্সটাইল উৎপাদন এই প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করছে।
বিশ্বজুড়ে টেক্সটাইল শিল্পে ডিজিটালাইজেশন ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের প্রবণতা বাড়ায় টেক্সটাইল প্রিন্টিং ইঙ্কস বাজারে দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: