বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় ভিআইপি-সিআইপিসহ সবার জন্য অভিন্ন তল্লাশি বাধ্যতামূলক: বিমানমন্ত্রী

মুনা নিউজ ডেস্ক | ৬ আগস্ট ২০২৬ ২০:৫৯

সংগৃহীত সংগৃহীত

ভিআইপি ও সিআইপি ব্যক্তিসহ সব যাত্রীর জন্য বিমান চলাচল নিরাপত্তা বিধি সমানভাবে প্রয়োগ করার নির্দেশ দিয়েছেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশি থেকে কাউকেই অব্যাহতি দেওয়া যাবে না।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (ক্যাব) সদর দপ্তরে পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির (এনসিএসসি) প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সভায় এনসিএসসির ১৩তম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দেওয়া হয়।

আসন্ন আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) নিরাপত্তা নিরীক্ষার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এই নিরীক্ষার ফলাফলের ওপর দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি নির্ভর করছে। তাই সম্ভাব্য সব ক্ষেত্রে আইসিএও-এর মানদণ্ড শতভাগ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশি যাত্রীদের সেবার মানোন্নয়ন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে জানান তিনি।

সভায় বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় অননুমোদিত ড্রোন উড্ডয়ন রোধে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপন করা হবে। প্রায় তিন বছর পর এই সভা অনুষ্ঠিত হওয়ায় সিদ্ধান্তগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত স্ক্যানারসহ অতিরিক্ত নিরাপত্তা সরঞ্জাম মজুদ রাখা এবং বিমান চলাচল নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।

সভায় দেশের বিমান চলাচল নিরাপত্তা জোরদারে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথে নিরাপত্তা বাড়াতে আন্ডার ভেহিকল স্ক্যানিং সিস্টেমের (ইউভিএসএস) কার্যকারিতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি দেশের সব বিমানবন্দরে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

এ ছাড়া শাহজালাল বিমানবন্দরের ল্যান্ডসাইড এলাকায় যানজট নিরসন, অননুমোদিত জনসমাগম, ভিক্ষাবৃত্তি এবং অবৈধ লাগেজ মোড়ানো প্রতিরোধে ক্যাব, এপিবিএন, পুলিশ, আনসার ও বিমানবন্দর ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বিত কার্যক্রম জোরদারের সুপারিশ করা হয়েছে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: