চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিতে দেশটির রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁঁছেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
২০১৭ সালের পর এটিই ট্রাম্পের প্রথম চীন সফর।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার বিশ্বের বৃহত্তম দুই অর্থনীতির এই শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসবেন। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের এই আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বাণিজ্য, তাইওয়ান ইস্যু, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এবারের সফরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো তার সফরসঙ্গীদের তালিকা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর একঝাঁক শীর্ষ নির্বাহী এই সফরে তার সঙ্গী হয়েছেন। এই তালিকায় রয়েছেন অ্যাপলের টিম কুক, টেসলা ও স্পেসএক্সের কর্ণধার ইলন মাস্ক এবং ব্ল্যাকরকের ল্যারি ফিঙ্ক। হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, ডজনখানেকেরও বেশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি কোম্পানির প্রধানরা এই সফরে অংশ নিচ্ছেন, যা দুই দেশের বাণিজ্য ও প্রযুক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। সফরসূচি অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকালে চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্পের আনুষ্ঠানিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
তবে ট্রাম্পের এই সফরকে ঘিরে বেইজিং তাদের কঠোর অবস্থানের কথা পুনরুল্লেখ করেছে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্কের ক্ষেত্রে বেইজিং চারটি ‘রেড লাইন’ বা অলঙ্ঘনীয় সীমারেখা নির্ধারণ করে দিয়েছে, যা কোনোভাবেই চ্যালেঞ্জ করা যাবে না বলে জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত চীনা দূতাবাস প্রকাশিত এই তালিকার প্রথম ও প্রধান ইস্যুটি হলো তাইওয়ান। এছাড়া গণতন্ত্র ও মানবাধিকার, চীনের রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং দেশটির উন্নয়নের অধিকারকে বাকি তিনটি রেড লাইন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বেইজিং স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ এবং তাইওয়ানের ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ সরকারকে সমর্থন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।