সংগৃহীত
নিউইয়র্ক টাইমসের এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতের তীব্রতা এতটাই বেশি যে, খোদ পেন্টাগনের কর্মকর্তারাও অবাক হয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি, কাতারের আল উদেইদ এবং বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরসহ অন্তত ১১টি ঘাঁটি সরাসরি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। বিশেষ করে বাহরাইনে এক হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের অনেকের ধারণা ছিল ইরান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত নয়, কিন্তু এই পাল্টাহামলা সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, ইরান অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে আমেরিকার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (THAAD) এবং রাডার যোগাযোগ অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। এখন পর্যন্ত এই যুদ্ধে ৭ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং ১৪০ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ইরানের দাবি অনুযায়ী তাদের ১,৩০০ জন নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের বিশাল মজুত ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: