সংগৃহীত
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের ময়দান এখন পারস্য উপসাগরের এক ক্ষুদ্র দ্বীপে এসে থমকেছে। মাত্র ৭.৭ বর্গমাইলের এই ‘খারগ দ্বীপ’ এখন ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্যবস্তু।
কারণ, ইরানের মোট অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় ৯৪ শতাংশই নিয়ন্ত্রিত হয় এই দ্বীপ থেকে। সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের দাবি, ট্রাম্প প্রশাসন এই কৌশলগত দ্বীপটি স্রেফ ধ্বংস নয়, বরং সরাসরি দখলের পরিকল্পনা করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারলে ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে যাবে এবং ভবিষ্যতে যেকোনো আলোচনার টেবিলে তেহরানকে চরম চাপের মুখে রাখা সম্ভব হবে।
রয়েল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের গবেষক পেট্রাস কাটিনাস বলেন, খারগ দ্বীপ দখল হলে ইরানের তেলের বাজার পুরোপুরি ধসে পড়বে, যার ফলে শাসকগোষ্ঠীর পক্ষে দেশ চালানো অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে। উল্লেখ্য, বর্তমানে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। পেন্টাগনের সাবেক কর্মকর্তা মাইকেল রুবিনের মতে, দ্বীপটি দখল করলে ইরান সরকার তাদের সেনাবাহিনী ও কর্মকর্তাদের বেতন দেওয়ার সক্ষমতা হারাবে। ৪০ বছর আগে নিজের বই ‘দ্য আর্ট অব দ্য ডিল’-এর প্রচারকালেও ট্রাম্প এই দ্বীপটি দখলের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছিলেন, যা এখন বাস্তবে রূপ নেওয়ার পথে।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: