ফাইল ছবি
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করতে ইরান সীমান্তের কাছে প্রায় এক হাজার সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে সংঘাত কমাতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের প্রায় এক হাজার সেনা কয়েক দিনের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মধ্যে ডিভিশনের কমান্ডার ব্র্যান্ডন টেগটমেয়ার, স্টাফ সদস্য ও প্রথম ব্রিগেডের একটি ব্যাটালিয়ন রয়েছে।
আমেরিকান সেনাবাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, ডিভিশনের একটি অংশ এক সপ্তাহের মধ্যে যাত্রা শুরু করতে পারে। পরে একই ব্রিগেডের অন্য সদস্যদেরও পাঠানো হবে। তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসতে পারে।
বর্তমানে এ ব্যাটালিয়ন দ্রুত প্রতিক্রিয়া বাহিনী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। কোনো বিশেষ প্রয়োজনে বাহিনীটি মাত্র কয়েক ঘণ্টার নোটিশে অভিযানে অংশ নিতে সক্ষম। এ ব্রিগেডকে মধ্যপ্রাচ্যে একটি প্রস্তুত ইউনিট হিসেবে রাখা হবে। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মোতায়েনের নির্দেশ দেয়া হয়নি। তবে খুব দ্রুতই এ নির্দেশ আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে ২০২০ সালে ইরানের কমান্ডার কাসেম সোলাইমানি নিহত হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্র একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিল।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, সংঘাত মেটাতে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ১৫টি বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে এবং ইরান চুক্তিতে আগ্রহ দেখিয়েছে।
অন্যদিকে, শুরুতে ইরান আলোচনার কথা অস্বীকার করলেও পরে তাদের একটি সূত্র জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ হয়েছে। এখন তারা টেকসই প্রস্তাব শুনতে আগ্রহী।
আলোচনা চললেও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে। এরই মধ্যে দুটি নৌবাহিনী ও মেরিন ইউনিট সেখানে পাঠানো হয়েছে। প্রতিটি ইউনিটে প্রায় সাড়ে চার হাজার সদস্য রয়েছে।
এসব ইউনিটে স্থল অভিযান ছাড়াও বিমান ও সরঞ্জাম সহায়তার সক্ষমতা রয়েছে, যা প্রয়োজনে দ্রুত সামরিক পদক্ষেপ নিতে সহায়তা করবে।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: