এশিয়া থেকে পিছু হটার দাবি প্রত্যাখ্যান করে অংশীদারিত্বের আহ্বান জানালো পেন্টাগন

মুনা নিউজ ডেস্ক | ১০ আগস্ট ২০২৬ ২০:০১

ফাইল ছবি ফাইল ছবি

এশিয়া থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র—এমন খবর বা গুঞ্জন পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছে পেন্টাগন। স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা এশিয়া থেকে পিছু হটছে না, বরং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিজেদের অবস্থান আরো মজবুত করতে শক্ত হয়ে বসছে। তবে এ অঞ্চলের মিত্রদের এবার প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নিজেদের দায়িত্ব আরো বেশি কাঁধে নেওয়ার তাগিদ দিয়েছে ওয়াশিংটন।

সোমবার পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানায় , ম্যানিলায় দেয়া এক বক্তব্যে এসব কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রের নীতি সম্পর্কিত প্রতিরক্ষা আন্ডার সেক্রেটারি এলব্রিজ কোলবি। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফরের প্রথম ধাপ হিসেবে তিনি এখন ফিলিপাইনে অবস্থান করছেন। এ সফরের অংশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়াতেও যাবেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে তৈরি হওয়া উদ্বেগ দূর করতে কোলবি বলেন, 'আমেরিকা নিশ্চিতভাবেই এশিয়া থেকে সরে যাচ্ছে না। আমরা ছেড়ে যাচ্ছি না; বরং যেখানে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেখানে শক্তির একটি ভারসাম্য নিশ্চিত করতে আমরা নিজেদের অবস্থান আরো শক্ত করছি।'

তবে প্রতিরক্ষা খাতে আঞ্চলিক নিরাপত্তার পুরো বোঝা একা বইতে নারাজ ওয়াশিংটন। অংশীদারদের নিজেদের প্রতিরক্ষায় আরো বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে কোলবি স্পষ্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কোনো প্রটেক্টরেট বা আশ্রিত রাজ্য দেখতে চায় না, তারা চায় সত্যিকারের অংশীদার। মিত্ররা যখন নিজেদের সার্বভৌম নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজেরা নেবে, তখন এটি আমেরিকা কোনো দেশ ছেড়ে যাচ্ছে—এমন সঙ্কেত দেয় না।

ইন্দো-প্যাসিফিকের পরিস্থিতি অনুকূলে রাখতে ফাস্ট আইল্যান্ড চেইনে প্রতিরক্ষামূলক প্রতিরোধ গড়ে তোলার কথা উল্লেখ করেন তিনি। ফার্স্ট আইল্যান্ড চেইন বলতে মূলত জাপান থেকে শুরু করে তাইওয়ান, ফিলিপাইন ও বোর্নিও পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকাকে বোঝানো হয়। কোলবির মতে, কেবল আমেরিকান বাহিনীর ওপর নির্ভর করে এই কৌশল সফল হতে পারে না। মিত্ররা শক্তিশালী হলে যেকোনো প্রতিরোধও শক্তিশালী হবে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: