শান্তি চুক্তি হলে ইউক্রেনে সেনা পাঠাবে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স

মুনা নিউজ ডেস্ক | ৭ জানুয়ারী ২০২৬ ১৮:৫৪

ফাইল ছবি ফাইল ছবি

রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধবিরতি হলে ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডে সেনা মোতায়েনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য। সেই সঙ্গে যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার নেতৃত্ব দেওয়াসহ ইউক্রেনের নিরাপত্তা গ্যারান্টিগুলোকে সমর্থন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মঙ্গলবার তথাকথিত 'ইচ্ছুকদের জোট'-এর এক শীর্ষ সম্মেলনে এই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এই জোট ৩৫টি দেশের একটি দল- যারা রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে সমর্থন করার কথা বলছে।

আল জাজিরা জানিয়েছে, এ বিষয়ে ২৭ জন রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধানসহ দেশগুলোর প্রতিনিধিরা প্যারিসে জড়ো হয়ে কিয়েভের জন্য যুদ্ধোত্তর গ্যারান্টি দৃঢ় করার জন্য আলোচনা করেছেন।

আলোচনার পর ফরাসি নেতা ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ, ইউক্রেনের ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার একটি অভিপ্রায় ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন- সেখানে যুদ্ধ-পরবর্তী সেনা মোতায়েনের কাঠামো নির্ধারণ করা হয়।

ম্যাক্রোঁ বলেন, প্যারিস 'কয়েক হাজার' সেনা পাঠাতে পারে।

এদিকে, আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যবর্তী অঞ্চলের ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের নিদর্শন হিসেবে এই আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধিরাও ছিলেন। আলোচনায় রাষ্ট্রদূত স্টিভ উইটকফ, প্রসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড ⁠কুশনার এবং ইউরোপে ওয়াশিংটনের শীর্ষ জেনারেল অ্যালেক্সাস গ্রিনকিউইচ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনার নেতৃত্বদানকারী উইটকফ বলেছেন, ট্রাম্প 'নিরাপত্তা প্রোটোকলের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছেন' এবং গ্যারান্টিগুলো গুরুত্বপূর্ণ- যাতে ইউক্রেনের জনগণ জানতে পারে, যখন এটি (যুদ্ধ) শেষ হবে, তখন এটি চিরতরে শেষ হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, এই নিরাপত্তা কাঠামোর উদ্দেশ্য হলো ইউক্রেনে যে কোনো আক্রমণ বা আরও আক্রমণ রোধ করা।

ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড ⁠কুশনার প্যারিসের বৈঠককে 'একটি খুব, খুব বড় মাইলফলক' বলে অভিহিত করেছেন।

তিনি বলেন, ইউক্রেনীয়রা যদি চূড়ান্ত চুক্তি করতে চায়, তাহলে 'তাদের জানতে হবে, চুক্তির পর তারা নিরাপদ- স্পষ্টতই তাদের একটি শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা আছে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: