ইয়োনাগুনি দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে জাপান

মুনা নিউজ ডেস্ক | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:১৭

ফাইল ছবি ফাইল ছবি

জাপানের সরকার ২০৩১ সালের মার্চ মাসের মধ্যে তাইওয়ানের কাছে অবস্থিত তাদের দূরবর্তী পশ্চিমাঞ্চলীয় দ্বীপ ইয়োনাগুনিতে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করার পরিকল্পনা করছে বলে মঙ্গলবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জানিয়েছেন।

প্রথমবারের মতো জাপান এই মোতায়েনের সময়সীমা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে।

জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি টোকিওতে এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, দ্বীপটিতে আগেই একটি জাপানি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। সেখানে আকাশ প্রতিরক্ষা আরো জোরদার করার পরিকল্পনা ২০২২ সালেই ঘোষণা করা হয়েছিল।

ইয়োনাগুনী দ্বীপে মোতায়েন ২০৩০ অর্থবছর থেকে শুরু হবে, যা পরবর্তী ক্যালেন্ডার বছরের মার্চে শেষ হবে। ইয়োনাগুনি দ্বীপটি তাইওয়ান থেকে প্রায় ১১০ কিলোমিটার পূর্বে এবং টোকিও থেকে প্রায় এক হাজার ৯০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আগামী সপ্তাহে স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য এ বিষয়ে একটি ব্রিফিংয়ের আয়োজন করবে বলেও জানান মন্ত্রী।

এদিকে জাপান ও চীনের মধ্যে কয়েক মাস ধরে উত্তেজনা চলছে।

বেইজিং মঙ্গলবার ঘোষণা করেছে, তারা জাপানের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করে কয়েক ডজন জাপানি প্রতিষ্ঠানের ওপর রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে।

জাপানের রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি গত নভেম্বর মাসে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, স্বায়ত্তশাসিত তাইওয়ানের ওপর কোনো আক্রমণে টোকিও সামরিক হস্তক্ষেপ করতে পারে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি এই মন্তব্য করার পর থেকে বেইজিং চীনের নাগরিকদের জাপান ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করেছে। যা জাপানের অর্থনীতির অন্যতম স্তম্ভ পর্যটন শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

বেইজিংয়ের শীর্ষ কূটনীতিক ওয়াং ই চলতি মাসের শুরুতে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে বলেছেন, জাপানে কিছু শক্তি ‘সামরিক ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত’ করার চেষ্টা করছে।

প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি শুক্রবার পার্লামেন্টে বলেন, চীন পূর্ব চীন সাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরে ‘বলপ্রয়োগ বা চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে’ বর্তমান পরিস্থিতি বদলানোর চেষ্টা জোরদার করেছে। এ কারণে জাপানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরো শক্তিশালী করা প্রয়োজন।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: