মুনা লং আইল্যান্ড চ্যাপ্টারের শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত

মুনা সাংগঠনিক ডেস্ক | ৫ মে ২০২৬ ২২:০২

ছবি: মুনা লং আইল্যান্ড চ্যাপ্টারের শিক্ষা বৈঠকে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুনা’র নেতাগণ ছবি: মুনা লং আইল্যান্ড চ্যাপ্টারের শিক্ষা বৈঠকে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুনা’র নেতাগণ

গত ৩ মে (রবিবার) লং আইল্যান্ডের শেল্টাররক ইসলামিক সেন্টারে মুসলিম উম্মাহ অব নর্থ আমেরিকা - মুনা লং আইল্যান্ড চ্যাপ্টারের একটি শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকটির সভাপতিত্ব করেন লং আইল্যান্ড চ্যাপ্টার প্রেসিডেন্ট আফজালুর নুর মুন এবং পরিচালনা করেন লং আইল্যান্ড চ্যাপ্টার জেনারেল সেক্রেটারী ফয়েজ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন।

এছাড়াও বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করেন বিশেষ অতিথি মুনা’র সাবেক ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট আবু আহমেদ নূরুজ্জামান ও ডা. সাইদুর রহমান চৌধুরী।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুনা’র ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আরমান চৌধুরী সিপিএ, মজলিশে শুরার সদস্য ও নাহার-এর চেয়ারম্যান ডা. আতাউল হক ওসমানী, নিউইয়র্ক নর্থ জোনের প্রেসিডেন্ট মমিনুল ইসলাম মজুমদার এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল হোসেন। উপস্থিত ছিলেন মুনা নিউইয়র্ক নর্থ জোনের সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান।

ছবি: শিক্ষা বৈঠকে বক্তারা দ্বীনি কাজ সম্প্রসারণে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি বিশুদ্ধ ঈমান এবং কুরআন-হাদিসের জ্ঞানার্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন

বক্তারা বলেন, পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করা এবং ইসলামের মৌলিক সৌন্দর্য তুলে ধরা প্রত্যেক মুমিনের নৈতিক দায়িত্ব। তারা উল্লেখ করেন, বর্তমান সমাজে দ্বীনি কাজ সম্প্রসারণে বিশুদ্ধ ঈমান ও কুরআন-হাদিসের জ্ঞানার্জনের বিকল্প নেই।

তারা আরও বলেন, দাওয়াতে দ্বীনের পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম জোরদার করা সময়ের দাবি। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে তাদের চাহিদা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা বলেও তারা উল্লেখ করেন।

ছবি: বৈঠকের শেষে চ্যাপ্টার ও সাব-চ্যাপ্টারের দায়িত্বশীলদের মধ্যে আংশিক পরিবর্তন আনা হয়।

বক্তারা বলেন, ইসলামী আন্দোলনের লক্ষ্য অর্জনে নৈতিক চরিত্র, ঐক্য ও দ্বীনি পরিবেশ সংরক্ষণ অপরিহার্য। সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে সহমর্মিতার মনোভাব নিয়ে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে। তারা বলেন, “যেখানে মুসলমান, সেখানে হালাকাহ”—এ চর্চাই দুনিয়া ও আখেরাতে সফলতার অন্যতম উপায়।

বৈঠকে কুরআনের আলোকে মুমিন, মুনাফিক ও কাফিরদের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয় এবং সূরা ফুরকানের আলোকে ‘ইবাদুর রহমান’-এর গুণাবলীর প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়।

বিপুল সংখ্যক ভাই-বোনের উপস্থিতিতে বৈঠকের শেষে চ্যাপ্টার ও সাব-চ্যাপ্টারের দায়িত্বশীলদের মধ্যে আংশিক পরিবর্তন আনা হয়।

 



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: