ছবি: সংগৃহীত
বাছাই পর্বে এবার চমকে দেখায় প্যারাগুয়ে। হারিয়ে দিয়েছিল ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার মতো দলকে। তবে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হোচট খেয়েছে দলটি। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে হজম করেছে এক হালি গোল।
লস অ্যাঞ্জেলেসে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে মরিসিও পচেত্তিনোর দল জিতেছে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে। জোড়া গোল করেছেন ফোলারান বালুগান, একটি জিওভানি রেইনা, অন্যটি আত্মঘাতী।
১৯৩০ আসরের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে মুখোমুখি হলো যুক্তরাষ্ট্র ও প্যারাগুয়ে। সেবার বার্ট প্যাটেনডের হ্যাটট্রিকে ৩-০ গোলে জিতেছিল যুক্তরাষ্ট্র। এবারো বড় জয় পেয়েছে বিশ্বকাপের সহ আয়োজক দেশটি।
স্বপ্নের মতো শুরু পায় যুক্তরাষ্ট্র। সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচের পাস ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন ড্যামিয়েন বোবাদিলা।
এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি স্বাগতিকদের। গতিময় আক্রমণাত্মক ফুটবলে আরো ২ গোল করে প্রথমার্ধে চালকের আসনে বসে যায় তারা। দ্বিতীয় গোল আসে ৩১ মিনিটে।
পুলিসিচের নিখুঁত ক্রসে পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে জাল খুঁজে নেন বালুগান। আর তৃতীয় গোল আসে যোগ করা সময়। এবারো স্কোরার বালুগান। মালিক টিলমানের রক্ষণ চেরা পাস পেয়ে ঠান্ডা মাথায় বল জড়ান জালে।
প্রথমার্ধে বড় ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়া স্বাগতিকেরা দ্বিতীয়ার্ধে ছিল আরো গোছালো। তবে প্যারাগুয়ে এই সময় কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তাতে লড়াই জমে উঠে। সুযোগ বুঝে গোলও পেয়ে যায় প্যারাগুয়ে।
খেলার ধারার বিপরীতে ৭৩তম মিনিটে ব্যবধান কমায় প্যারাগুয়ে। হুলিও এন্সিসকোর কাছ থেকে জাল খুঁজে নেন মাওরিসিও। তাতে যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের ধার খুব একটা কমেনি।
সুযোগ তৈরি করতে থাকে স্বাগতিকরা। সুযোগ আগে যোগ করা সময়ের সপ্তম মিনিটে। বল পায়ে ডি-বক্সে ঢুকে দূরের পোস্ট দিয়ে জাল খুঁজে নেন রেইনা। এই গোলই ছিল ম্যাচের শেষ শট।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: