ছবি : সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে চলমান তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নাম পরিবর্তন করে নিজের নামে রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই বিতর্কিত আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং দাবি করেন যে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি এখন পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধ সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে—এমন বার্তা দেওয়ার অংশ হিসেবেই ট্রাম্প হরমুজের নাম পরিবর্তনের এই ইঙ্গিত দিয়েছেন। এর আগেও গত মাসে তিনি প্রণালিটিকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের এলাকা’ বলে দাবি করেছিলেন এবং কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য বিরোধের জের ধরে লেক অন্টারিওর নাম একতরফাভাবে ‘লেক আমেরিকা’ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে সমালোচকরা মনে করছেন, ইরানের বিরুদ্ধে এই সামরিক সংঘাত ইতোমধ্যে একটি দীর্ঘস্থায়ী ও কৌশলগত সংকটে রূপ নিয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক যৌথ হামলায় বেসামরিক প্রাণহানির পাশাপাশি পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং খোদ যুক্তরাষ্ট্রেও পেট্রলের দাম রেকর্ড পরিমাণে বেড়েছে। সৌদি আরবের তেলবাহী জাহাজে হামলা এবং বিভিন্ন দেশের জাহাজে নিয়মিত সংঘর্ষের খবরের ফলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধের আবহ আরও ঘনীভূত হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার দাবি করলেও সাত মাস পেরিয়ে যাওয়া এই সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিতে গভীর সংকট তৈরি করছে।