ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ১,৪০০ ছাড়িয়েছে

মুনা নিউজ ডেস্ক | ২৮ জুন ২০২৬ ১৯:২৬

ছবি: সংগৃহীত ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৪০০ ছাড়িয়েছে। সরকারিভাবে কয়েকশ মানুষ নিখোঁজ বলা হলেও, বিরোধী দলের একটি ওয়েবসাইটে তথ্যমতে, প্রায় ৫৫ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) ধারণা করছে, ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

উদ্ধারকাজে অংশ নিতে এরই মধ্যে দেশটিতে এসে পৌঁছেছে বিদেশি উদ্ধারকারী দল। সবচেয়ে ক্ষতির মুখে পড়া উপকূলীয় এলাকাগুলোতে হতাহতদের সন্ধানে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছেন তারা।

গত বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এরপর সেখানে শত শত আফটারশক অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লা গুয়াইরা ও রাজধানী কারাকাসের কিছু অংশ। এসব এলাকায় ধসে পড়া ভবনের স্তূপ থেকে জীবিত ও মৃতদের বের করে আনতে দিনরাত কাজ করছেন স্বেচ্ছাসেবক ও নিখোঁজদের স্বজনরা। তবে ভারী যন্ত্রপাতির অভাব এবং সরকারি উদ্ধারকারীদের উপস্থিতি কম থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই প্রিয়জনদের খোঁজ চালাচ্ছেন অনেকে। সান ক্রিস্তোবাল থেকে কারাবালেদায় ছুটে আসা ৩৩ বছর বয়সী প্রকৌশলী আলেজান্দ্রো সেরানো জানান, তিনি তার ২৪ বছর বয়সী বোন আনা সেরানোকে খুঁজছেন। আনা যে বহুতল ভবনে থাকতেন, সেটি ধসে পড়েছে।

আলেজান্দ্রো বলেন, ‘কারাকাসের একটি হাসপাতালেও ওকে খুঁজেছি, পাইনি। আর্জেন্টিনা ও এল সালভাদরের উদ্ধারকারী দলকে তার বিবরণ দিয়েছি। প্রার্থনা করি শুধু ধ্বংসস্তূপে যেন তাকে পাওয়া না যায়। (অর্থাৎ যেন বোনকে জীবিত ফিরে পান)’

এদিকে লস কোরালেস এলাকার বাসিন্দা ৬০ বছর বয়সী বেইসি রিভাস বলেন, ‘ভূমিকম্পের পর থেকে আফটারশকের ভয়ে প্রায় সব প্রতিবেশী রাস্তায় ঘুমাচ্ছেন। আতঙ্কে আমার হাত-পা কাঁপছে।’



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: