ছবি : সংগৃহীত
বলা হচ্ছে, এই রাজস্ব সংকটের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক মিত্রদের অর্থায়ন ও সামরিক সহায়তা ব্যাহত হচ্ছে। তবে তেহরান এই পতন ও দেউলিয়া হওয়ার যাবতীয় দাবি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতৃত্ব এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক চাপ ও যুদ্ধের কারণে অর্থনৈতিক সংকোচন হলেও ইরানের অভ্যন্তরীণ কাঠামো স্বাবলম্বী এবং বর্তমান পরিস্থিতি তা টিকিয়ে রাখার সক্ষমতা রাখে।
পরিস্থিতি পর্যালোচনায় আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিষেধাজ্ঞা এবং ব্যাংকিং খাতের ওপর কড়াকড়ির ফলে ইরানসহ তার মিত্র সংগঠনগুলো আর্থিক টানাটানির মুখে পড়েছে। তথাপি অভ্যন্তরীণ জ্বালানি ব্যবস্থাপনা ও নতুন সামাজিক নীতি গ্রহণের মাধ্যমে চাপ সামলানোর চেষ্টা চালাচ্ছে দেশটির সরকার। সামগ্রিক অর্থনৈতিক চাপ সামরিক সক্ষমতায় প্রভাব ফেললেও, এর কারণে তেহরান তাদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত নীতি থেকে পিছিয়ে আসবে—এমন কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে না।