ছবি : সংগৃহীত
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে অধিকৃত ওলেশকি শহরে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নিতে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। তবে এই যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতা কে করেছেন, তা নিয়ে হোয়াইট হাউস ও ভ্যাটিকানের বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা দিয়েছে।
গত শুক্রবার এই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসে। এর আওতায় এক হাজারের বেশি বেসামরিক নাগরিককে সহায়তা প্রদান এবং শহর ছাড়তে ইচ্ছুকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রুশ আগ্রাসনের শুরুতে খেরসন অঞ্চলের ওলেশকি শহরটি দখল করে নেয় রাশিয়া। বর্তমানে সেখানে তীব্র খাদ্য, ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর সংকট চলছে।
হোয়াইট হাউসের দাবি অনুযায়ী, ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের সরাসরি হস্তক্ষেপের ফলেই এই সমঝোতা সম্ভব হয়েছে। তাঁর উদ্যোগ না থাকলে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো বা বয়স্ক ব্যক্তিদের সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হতো না বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, ভ্যাটিকানের বক্তব্য অনুযায়ী, পোপ চতুর্দশ লিওর কূটনৈতিক প্রচেষ্টাই যুদ্ধবিরতির পথ প্রশস্ত করেছে। জানা গেছে, পোপ রুশ ও ইউক্রেনীয় উভয় নেতার সঙ্গেই ফোনালাপে এই বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন।
এদিকে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে মেলানিয়া ও তাঁর দলের অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। তবে যুদ্ধবিরতির কৃতিত্ব নিয়ে দুই পক্ষের ভিন্ন বক্তব্যের কারণে কার ভূমিকা কতটা নির্ণায়ক ছিল, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা চলছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা একদিকে যেমন কূটনৈতিক প্রভাবের লড়াই, অন্যদিকে এর সঙ্গে অভ্যন্তরীণ রাজনীতির সমীকরণও যুক্ত রয়েছে।