অভিযান অব্যাহত থাকায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা হ্রাস পাচ্ছে: যুক্তরাষ্ট্র

মুনা নিউজ ডেস্ক | ৫ মার্চ ২০২৬ ২১:৩৮

ফাইল ছবি ফাইল ছবি

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধরত যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর এ অগ্রগতিকে তিনি ‘ধারাবাহিক উন্নতি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

গতকাল পেন্টাগনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কেইন বলেন, বুধবার সকাল পর্যন্ত ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড ধারাবাহিকভাবে এ উন্নতি করছে। যুদ্ধের প্রথম দিনের তুলনায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের হার ৮৬ শতাংশ কমে এসেছে। এমনকি গত কয়েক ঘণ্টায় এ হ্রাসের গতি আরো ত্বরান্বিত হয়েছে।

কেইন আরো জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ আরো ২৩ শতাংশ কমেছে এবং তাদের (ইরান) ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন (আত্মঘাতী ড্রোন) নিক্ষেপের হার ৭৩ শতাংশ কমেছে। তিনি বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়া কমে আসা মার্কিন বাহিনীকে তাদের কৌশলগত সুবিধা আরো বাড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছে।

ব্রিফিংয়ে জেনারেল কেইন এ অভিযানের তিনটি প্রধান লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করেছেন। এগুলো হলো এক. ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি নিষ্ক্রিয় করা; দুই. ইরানি নৌবাহিনীকে দুর্বল বা ধ্বংস করা এবং তিন. ইরান যাতে দ্রুত তাদের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন করতে না পারে তা নিশ্চিত করা।

যুক্তরাষ্ট্রের এই কর্মকর্তা বলেন, এ অভিযানে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধরত যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর এ অগ্রগতিকে তিনি ‘ধারাবাহিক উন্নতি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

গতকাল পেন্টাগনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কেইন বলেন, বুধবার সকাল পর্যন্ত ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড ধারাবাহিকভাবে এ উন্নতি করছে। যুদ্ধের প্রথম দিনের তুলনায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের হার ৮৬ শতাংশ কমে এসেছে। এমনকি গত কয়েক ঘণ্টায় এ হ্রাসের গতি আরো ত্বরান্বিত হয়েছে।

কেইন আরো জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ আরো ২৩ শতাংশ কমেছে এবং তাদের (ইরান) ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন (আত্মঘাতী ড্রোন) নিক্ষেপের হার ৭৩ শতাংশ কমেছে। তিনি বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়া কমে আসা মার্কিন বাহিনীকে তাদের কৌশলগত সুবিধা আরো বাড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছে।

ব্রিফিংয়ে জেনারেল কেইন এ অভিযানের তিনটি প্রধান লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করেছেন। এগুলো হলো এক. ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি নিষ্ক্রিয় করা; দুই. ইরানি নৌবাহিনীকে দুর্বল বা ধ্বংস করা এবং তিন. ইরান যাতে দ্রুত তাদের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন করতে না পারে তা নিশ্চিত করা।

যুক্তরাষ্ট্রের এই কর্মকর্তা বলেন, এ অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী এ পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে এবং ইরানের ২০টিরও বেশি নৌযান ধ্বংস করা হয়েছে। এর ফলে এ অঞ্চলে ইরানের প্রধান নৌ-উপস্থিতি অনেকাংশেই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে।

জেনারেল কেইন বলেন, এ অগ্রগতির ফলে সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানের উপকূলের দক্ষিণ প্রান্তজুড়ে আকাশসীমায় শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে এবং অত্যন্ত নির্ভুলতা ও বিধ্বংসী শক্তির মাধ্যমে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে পেরেছে। আমরা এখন মূল ভূখণ্ডের ভেতরের দিকে অগ্রসর হওয়া শুরু করব এবং পর্যায়ক্রমে ইরানের আরো গভীরে আঘাত হানব। তিনি আরো বলেন, সামরিক বাহিনী এখন দূরপাল্লার হামলা থেকে সরে এসে স্বল্পপাল্লার নিখুঁত হামলার দিকে মনোনিবেশ করছে।

ব্রিফিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এ সামরিক কর্মকর্তা জানান, এ অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ নিখুঁত গোলাবারুদ রয়েছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি এর সঠিক পরিমাণ প্রকাশ করেননি।

বাহিনী এ পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে এবং ইরানের ২০টিরও বেশি নৌযান ধ্বংস করা হয়েছে। এর ফলে এ অঞ্চলে ইরানের প্রধান নৌ-উপস্থিতি অনেকাংশেই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে।

জেনারেল কেইন বলেন, এ অগ্রগতির ফলে সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানের উপকূলের দক্ষিণ প্রান্তজুড়ে আকাশসীমায় শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে এবং অত্যন্ত নির্ভুলতা ও বিধ্বংসী শক্তির মাধ্যমে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে পেরেছে। আমরা এখন মূল ভূখণ্ডের ভেতরের দিকে অগ্রসর হওয়া শুরু করব এবং পর্যায়ক্রমে ইরানের আরো গভীরে আঘাত হানব। তিনি আরো বলেন, সামরিক বাহিনী এখন দূরপাল্লার হামলা থেকে সরে এসে স্বল্পপাল্লার নিখুঁত হামলার দিকে মনোনিবেশ করছে।

ব্রিফিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এ সামরিক কর্মকর্তা জানান, এ অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ নিখুঁত গোলাবারুদ রয়েছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি এর সঠিক পরিমাণ প্রকাশ করেননি।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: